এক নজরে ক্ষিপ্র লেআউট

ক্ষিপ্র কিবোর্ডের বিশেষত্ব
প্রচলিত ফোনেটিক হোক কিংবা ফিক্সড লেআউট হোক, উভয় ধরনের লেআউটের চেয়েই ক্ষিপ্র-তে দ্রুত লেখা যায়। ক্ষিপ্রর প্রধান আকর্ষণ যে ফিচারগুলো, সেগুলো হলো:
- শিফট key চাপার কোনো দরকার হয় না।
- সকল বর্ণ, যুক্তবর্ণ, সকল চিহ্ন - সবই মূল কিবোর্ড থেকে হাত না সরিয়ে লেখা যায়।
- qwerty লেআউটের কোনো বাটনই ক্ষিপ্র ব্লক করে না। তুলনাস্বরূপ: অভ্র লেআউটে ব্যাকটিক (
`), ডলার চিহ্ন ($) ইত্যাদি ব্লক করা থাকে; প্রভাত লেআউটে স্ল্যাশ (/), তৃতীয় বন্ধনী ([,]) ইত্যাদি ব্লক করা থাকে। - স্বরবর্ণের বদলে কারচিহ্ন কিংবা কারচিহ্নের বদলে স্বরবর্ণ মাত্র একটি কিপ্রেসে রূপান্তর করা যায়। (কুইকস্টার্ট গাইডে শেখানো হবে)
- কিছু অভিনব ও এক্সক্লুসিভ টাইপিং কনসেপ্ট আনা হয়েছে। যেমন: ae (অ্যা), wa (ওয়া), we (ওয়ে), wae (ওয়্যা), ইত্যাদিকে স্বরবর্ণ এবং কারচিহ্ন হিসেবে ট্রিট করায় টাইপিংয়ে প্রগাঢ় সুবিধা হয়। যেমন:
aejma=অ্যাজমা,swetfar=সোয়েটার। - সাজেশন নির্ভরতা নেই। সাজেশন বন্ধ রেখেও দ্রুত যেকোনো কিছু টাইপিং সম্ভব।
- মনে রাখা সহজ - কেননা ম্যাপিংয়ে ছোটো ও বড়ো হাতের বর্ণের মিশ্রণ নেই। একই কারণে এতে দ্রুতই অভ্যস্ত হওয়া ও শীঘ্রই দ্রুত টাইপিং শুরু করা সম্ভব।
মাত্র ৮টি সহজ ধাপে ক্ষিপ্র-র শক্তিশালী ফিচারগুলো ব্যবহার করা শিখে ফেলুন…
লাইভ টাইপিং ডেমো
Banlga-IM এ ক্ষিপ্র ইনস্টল করা ছাড়াই ওয়েব ব্রাউজারে ক্ষিপ্র ট্রায়াল দিতে পারবেন।
ট্রাই করতে ক্লিক করুন
ধাপ ১: সাধারণ বর্ণ লেখা
অধিকাংশ বর্ণকে কাছাকাছি উচ্চারণের ইংরেজি বর্ণ দিয়ে লেখা যাবে।
যেমন:
flowchart TD
A(amar) --> B("আমার")
C(kolom) --> D("কলম")
E("khela") --> F("খেলা")আ লিখতে a, এবং, এ লিখতে e ব্যবহার করা হয়।অ্যা ধ্বনি লেখার একটি বিশেষ ব্যবস্থা ক্ষিপ্র -তে রয়েছে যেটা পরে উল্লেখ করা হবে।নিচের বর্ণগুলোকে হুবহু উচ্চারণ অনুসারে কিংবা, অভ্র -এর মতো মেথডগুলোর অনুরূপ উপায়ে ক্ষিপ্র -তে লেখা যায়:
| অ | আ, -া | ই, -ি | উ, -ু | এ, -ে |
| o | a | i | u | e |
| ক | খ | গ | ঘ | ঙ | চ | ছ | জ | ঝ |
| k | kh | g | gh | ng | c | ch | j | jh |
| ত | থ | দ | ধ | ন |
| t | th | d | dh | n |
| প | ফ | ব | ভ | ম | য | র | ল | শ |
| p | ph | b | v | m | z | r | l | sh |
| স | হ | য় |
| s | h | y |
এসব বর্ণ দিয়ে আরো কিছু সহজ ও কমন উদাহরণ:
flowchart TD
A(nouka) --> B("নৌকা")
c(vitor) --> d("ভিতর")
e(shorbot) --> f("শরবত")
g(chiniye) --> h("ছিনিয়ে")ধাপ ২: অন্যান্য স্বরবর্ণ লেখা
কিছু স্বরবর্ণ লেখার জন্য ক্ষিপ্রতে ব্যতিক্রম ম্যাপিং ব্যবহার করা হয়। যেমন:
flowchart TD a(ii) --> d(ঈ) b(uu) --> e(ঊ) c(q) --> f(ঋ)
flowchart TD a(w) --> e(ও) b(wi) --> f(ঐ) c(wu) --> g(ঔ)
wi = ঐ, wu = ঔ নির্ধারণ করায় এসব শব্দ লিখতে সুবিধা হবে: boi = বই, bou = বউপূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে এই বিষয়ে বিশদে আলোচনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে সবটা জানতে ক্লিক করুন।
ধাপ ৩: অন্যান্য ব্যঞ্জনবর্ণ লেখা
ধাপ ৩.১: খ, ঘ, ছ, ঝ, ইত্যাদি মহাপ্রাণ বর্ণ লেখা
নিচের সাতটি মহাপ্রাণ বর্ণ লেখার জন্য h ব্যবহার করতে হবে:
flowchart TD a(kh) --> b(খ) c(gh) --> d(ঘ) e(ch) --> f(ছ) g(jh) --> h(ঝ)
flowchart TD i(th) --> j(থ) k(dh) --> l(ধ) m(ph) --> n(ফ)
h যোগে লেখা যাবে না। এগুলো লেখা আমরা পরবর্তী ধাপে শিখব।ধাপ ৩.২: ভ লেখা
flowchart LR a(v) --> b(ভ)
ভ কেবল v দিয়ে লেখা যাবে, bh দিয়ে নয়। যেমন: abhawa = আবহাওয়া।ফ কেবল ph দিয়ে লেখা যাবে, f দিয়ে নয়। কেননা f মডিফায়ার key.ধাপ ৩.৩: শ লেখা
শ যদিও মহাপ্রাণ বর্ণ নয়, তবুও sh দিয়ে শ লেখা যাবে।
flowchart LR a(sh) --> b(শ)
ধাপ ৪: মডিফায়ার
ক্ষিপ্র-তে f key কে মডিফায়ার হিসেবে রাখা হয়েছে। কিছু কিছু বর্ণের পরে f লিখে সেগুলোকে মডিফাই করা যাবে।
মডিফায়ার ক্ষিপ্র-র একটি শক্তিশালী ফিচার। সামনে মডিফায়ারের অনেক গুলো উপযোগীতা ও উপকারীতা দেখতে পাবো আমরা।
ধাপ ৩: (বাকি অংশ)
ধাপ ৩.৪: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ষ, ড়, ঢ়, ইত্যাদি বর্ণ লেখা
- ত -এর পরে মডিফায়ার (
f) ব্যবহার করে ট, ঠ; - দ -এর পরে
fব্যবহার করে ড, ঢ; - ন -এর পরে
fদিয়ে ণ; - স -এর পরে
fদিয়ে ষ; - এবং, র -এর পরে
fদিয়ে ড়, ঢ় লেখা যাবে।
অর্থাৎ, একবার কিংবা দুইবার f ব্যবহার করে লেখা যাবে নিচের মতো:
flowchart TD a(tf) --> b(ট) c(tff) --> d(ঠ) e(df) --> f(ড) g(dff) --> h(ঢ)
flowchart TD a(nf) --> b(ণ) c(sf) --> d(ষ) e(rf) --> f(ড়) g(rff) --> h(ঢ়)
ধাপ ৩.৫: ক্ষ লেখা
ক্ষ যুক্তবর্ণ (ক্ষ = ক + ষ = k + sf) হলেও এটা লেখার দুটো শর্টকাট আছে: kf, ও kkh
flowchart TD A(kf) --> B(ক্ষ) c(kkh) --> B(ক্ষ) e(ksf) --> B(ক্ষ)
ক্ষ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা আমাদের পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে করা হয়েছে। (ক্লিক করুন)
ধাপ ৩.৬: ঞ লেখা
ঞ লেখার জন্য প্রায় সর্বদাই n দিয়েই কাজ চলে যাবে। কেননা ঞ যুক্তবর্ণরূপে ছাড়া দেখা যায় না বললেই চলে।
তবুও মুক্ত রূপে ঞ লেখার জন্য nff ম্যাপিং রয়েছে।
flowchart TD a(nj) --> b(ঞ্জ) e(nc) --> f(ঞ্চ) c(nff) --> d(ঞ)
ধাপ ৩.৭: অনুস্বার ং লেখা
x দিয়ে ং লিখতে হবে।
এটি ব্যতিক্রমী হলেও এতে বেশ কিছু শব্দ লিখতে সুবিধা হবে। যেমন:
flowchart TD a(oxk) --> e(অংক) b(ongk) --> f(অঙ্ক) c(lixk) --> g(লিংক) d(lingk) --> h(লিঙ্ক)
ং এবং ঙ এর মধ্যে পার্থক্য করা সহজ হবে।এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন আমাদের পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে। পড়তে ক্লিক করুন।
ধাপ ৫: ক্ষিপ্র-র এক্সক্লুসিভ স্বরবর্ণগুলো লেখা
ক্ষিপ্র-তে বাড়তি কিছু বর্ণগুচ্ছকে স্বরবর্ণ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয় বা ট্রিট করা হয়। এটা ক্ষিপ্র-র আরেকটি শক্তিশালি ফিচার। এরকম চারটি বাড়তি স্বরবর্ণ তৈরি করা হয়েছে:
flowchart TD a(ae) --> h(অ্যা) b(wa) --> g(ওয়া) c(we) --> f(ওয়ে) d(wae) --> e(ওয়্যা)
কিছু উদাহরণ:
flowchart TD a(raem) --> h(র্যাম) b(aep) --> g(অ্যাপ) c(khawa) --> f(খাওয়া) d(dhwa) --> e(ধোয়া)
flowchart TD a(wedar) --> g(ওয়েদার) b(swetfar) --> f(সোয়েটার) c(sophtfwaer) --> e(সফটওয়্যার)
ধাপ ৩: (আরও বাকি অংশ)
ধাপ ৩.৮: বিসর্গ ঃ লেখা
ধাপ ৩.৯: চন্দ্রবিন্দু ঁ লেখা
ধাপ ৬: পৃথায়ক
পৃথায়ক ক্ষিপ্র-র অন্যতম শক্তিশালী একটি ফিচার। পৃথায়ক ব্যবহার করে আপনার লেখাকে যেকোনো জায়গায় বিচ্ছিন্ন বা অংশায়িত করা যায়। এটার অসংখ্য ব্যবহার রয়েছে।
সেমিকোলন ; -কে ক্ষিপ্রতে পৃথায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হলো:
flowchart TD a(kuran) --> h(কুরান) b(kur;an) --> g(কুরআন) c(amii) --> f(আমী) d(ami;i) --> e(আমিই)
flowchart TD a(ijhar) --> h(ইঝার) b(ij;har) --> g(ইজহার) c(kongraetfs) --> f(কঙ্র্যাটস) d(kon;graetfs) --> e(কনগ্র্যাটস)
; যেহেতু পৃথায়ক, তাই কোথাও সেমিকোলন লিখতে পরপর দুবার সেমিকোলন চাপুন।যেমন: sohoj;; = সহজ;
পৃথায়ক নিয়ে বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ আলোচনা আমাদের পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে করা হবে। পড়তে ক্লিক করুন।
ধাপ ৭: যুক্তবর্ণ লেখা কিংবা এড়িয়ে যাওয়া
- যুক্তবর্ণ গঠন সম্ভব এমন একাধিক বর্ণ একসাথে টাইপ করলে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়ে যাবে।
যেমন:
flowchart TD
A(kt) --> B("ক্ত")
c(kr) --> d("ক্র")- যুক্তবর্ণ এড়াতে বর্ণের মাঝে পৃথায়ক ব্যবহার করুন। ক্ষিপ্রতে সেমিকোলন
;হলো পৃথায়ক।
যেমন:
flowchart TD
c(k;r) --> d("কর")
e(k;t) --> f("কত")- পৃথায়কের পরিবর্তে
oব্যবহার করেও যুক্তবর্ণ এড়ানো যায়।
যেমন:
flowchart LR
c(kor) --> d("কর")
e(kot) --> f("কত")o থাকা সত্ত্বেও পৃথায়ক-এর ধারণা কেন আনা হয়েছে। এতে কিছু সুবিধা রয়েছে, যা পরবর্তী ধাপগুলোর আলোচনায় উঠে আসবে।ধাপ ৭.২: স্ল্যাশ / -এর ব্যবহার (যুক্তবর্ণ সংক্রান্ত)
পূর্বে উল্লেখিত মডিফায়ারের মতো / key -কেও ক্ষিপ্রতে মডিফায়ার হিসেবে রাখা হয়েছে।
উচ্চারণ অনুসারে লিখতে গিয়ে চলে আসা অবাঞ্ছিত যুক্তবর্ণ দূরীকরণের জন্য স্ল্যাশ ব্যবহার করা যাবে।
যেমন:বাকরুদ্ধ লেখার জন্য কেউ bakruddh লিখলে বাক্রুদ্ধ আসবে। এখানে ক্র চলে আসার পরে যদি / দিয়ে দেওয়া হয় তাহলে ব্যাকস্পেস না চেপেই সেটাকে ভেঙে ফেলা যাবে। bakr/uddh = বাকরুদ্ধ উদাহরণ:
flowchart TD a(alp/ona) --> b(আলপনা) e(lagb/e) --> f(লাগবে) z(aelg/oridom) --> g(অ্যালগরিদম) h(ajh/ari) --> i(আজহারি)
এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা আমাদের পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাকিটা জানতে ক্লিক করুন।
সেক্ষেত্রে তাঁকে ব্যাকস্পেস দিয়ে মুছে আবার লিখতে হবে না।
ধাপ ৮: স্বরবর্ণের বদলে কারচিহ্ন, কিংবা কারচিহ্নের বদলে স্বরবর্ণ ফোর্স করা
ক্ষিপ্র ইনস্টল করা
লিনাক্স, উইন্ডোজ, কিংবা অ্যান্ড্রয়েডে ক্ষিপ্র ইনস্টল করার নির্দেশনা দেখতে ক্ষিপ্র-র ইনস্টলেশন পেজ ভিসিট করুন।