ক্ষিপ্র কুইকস্টার্ট গাইড | ক্ষিপ্রসূচন

আজ থেকেই ক্ষিপ্র দিয়ে লেখা শুরু করতে এই সংক্ষিপ্ত গাইডটি পড়ে ফেলুন

এক নজরে ক্ষিপ্র লেআউট

ক্ষিপ্র লেআউট এক নজরে

ক্ষিপ্র কিবোর্ডের বিশেষত্ব

প্রচলিত ফোনেটিক হোক কিংবা ফিক্সড লেআউট হোক, উভয় ধরনের লেআউটের চেয়েই ক্ষিপ্র-তে দ্রুত লেখা যায়। ক্ষিপ্রর প্রধান আকর্ষণ যে ফিচারগুলো, সেগুলো হলো:

  1. শিফট key চাপার কোনো দরকার হয় না।
  2. সকল বর্ণ, যুক্তবর্ণ, সকল চিহ্ন - সবই মূল কিবোর্ড থেকে হাত না সরিয়ে লেখা যায়।
  3. qwerty লেআউটের কোনো বাটনই ক্ষিপ্র ব্লক করে না। তুলনাস্বরূপ: অভ্র লেআউটে ব্যাকটিক (`), ডলার চিহ্ন ($) ইত্যাদি ব্লক করা থাকে; প্রভাত লেআউটে স্ল্যাশ (/), তৃতীয় বন্ধনী ([,]) ইত্যাদি ব্লক করা থাকে।
  4. স্বরবর্ণের বদলে কারচিহ্ন কিংবা কারচিহ্নের বদলে স্বরবর্ণ মাত্র একটি কিপ্রেসে রূপান্তর করা যায়। (কুইকস্টার্ট গাইডে শেখানো হবে)
  5. কিছু অভিনব ও এক্সক্লুসিভ টাইপিং কনসেপ্ট আনা হয়েছে। যেমন: ae (অ্যা), wa (ওয়া), we (ওয়ে), wae (ওয়্যা), ইত্যাদিকে স্বরবর্ণ এবং কারচিহ্ন হিসেবে ট্রিট করায় টাইপিংয়ে প্রগাঢ় সুবিধা হয়। যেমন: aejma = অ্যাজমা, swetfar = সোয়েটার
  6. সাজেশন নির্ভরতা নেই। সাজেশন বন্ধ রেখেও দ্রুত যেকোনো কিছু টাইপিং সম্ভব।
  7. মনে রাখা সহজ - কেননা ম্যাপিংয়ে ছোটো ও বড়ো হাতের বর্ণের মিশ্রণ নেই। একই কারণে এতে দ্রুতই অভ্যস্ত হওয়া ও শীঘ্রই দ্রুত টাইপিং শুরু করা সম্ভব।

মাত্র ৮টি সহজ ধাপে ক্ষিপ্র-র শক্তিশালী ফিচারগুলো ব্যবহার করা শিখে ফেলুন…

লাইভ টাইপিং ডেমো

Banlga-IM এ ক্ষিপ্র ইনস্টল করা ছাড়াই ওয়েব ব্রাউজারে ক্ষিপ্র ট্রায়াল দিতে পারবেন।

সতর্কতা
লাইভ টাইপিং ডেমো ব্যবহারের আগে অবশ্যই এই কুইকস্টার্ট গাইডটি ভালোমতো পড়ে নিন।

ট্রাই করতে ক্লিক করুন

ধাপ ১: সাধারণ বর্ণ লেখা

অধিকাংশ বর্ণকে কাছাকাছি উচ্চারণের ইংরেজি বর্ণ দিয়ে লেখা যাবে।
যেমন:

flowchart TD
A(amar) --> B("আমার")
C(kolom) --> D("কলম")
E("khela") --> F("খেলা")
গুরুত্বপূর্ণ
লিখতে a, এবং, লিখতে e ব্যবহার করা হয়।
নোট
অ্যা ধ্বনি লেখার একটি বিশেষ ব্যবস্থা ক্ষিপ্র -তে রয়েছে যেটা পরে উল্লেখ করা হবে।

নিচের বর্ণগুলোকে হুবহু উচ্চারণ অনুসারে কিংবা, অভ্র -এর মতো মেথডগুলোর অনুরূপ উপায়ে ক্ষিপ্র -তে লেখা যায়:

আ, -াই, -িউ, -ুএ, -ে
oaiue
kkhgghngcchjjh
tthddhn
pphbvmzrlsh
shy

এসব বর্ণ দিয়ে আরো কিছু সহজ ও কমন উদাহরণ:

flowchart TD
A(nouka) --> B("নৌকা")
c(vitor) --> d("ভিতর")
e(shorbot) --> f("শরবত")
g(chiniye) --> h("ছিনিয়ে")

ধাপ ২: অন্যান্য স্বরবর্ণ লেখা

কিছু স্বরবর্ণ লেখার জন্য ক্ষিপ্রতে ব্যতিক্রম ম্যাপিং ব্যবহার করা হয়। যেমন:

flowchart TD
a(ii) --> d(ঈ)
b(uu) --> e(ঊ)
c(q) --> f(ঋ)
flowchart TD
a(w) --> e(ও)
b(wi) --> f(ঐ)
c(wu) --> g(ঔ)
নোট
wi = , wu = নির্ধারণ করায় এসব শব্দ লিখতে সুবিধা হবে: boi = বই, bou = বউ

পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে এই বিষয়ে বিশদে আলোচনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে সবটা জানতে ক্লিক করুন।

ধাপ ৩: অন্যান্য ব্যঞ্জনবর্ণ লেখা

ধাপ ৩.১: খ, ঘ, ছ, ঝ, ইত্যাদি মহাপ্রাণ বর্ণ লেখা

নিচের সাতটি মহাপ্রাণ বর্ণ লেখার জন্য h ব্যবহার করতে হবে:

flowchart TD
a(kh) --> b(খ)
c(gh) --> d(ঘ)
e(ch) --> f(ছ)
g(jh) --> h(ঝ)
flowchart TD
i(th) --> j(থ)
k(dh) --> l(ধ)
m(ph) --> n(ফ)
নোট
ভ, শ, ঠ, ঢ, ঢ় ইত্যাদি বর্ণ h যোগে লেখা যাবে না। এগুলো লেখা আমরা পরবর্তী ধাপে শিখব।

ধাপ ৩.২: ভ লেখা

flowchart LR
a(v) --> b(ভ)
গুরুত্বপূর্ণ
কেবল v দিয়ে লেখা যাবে, bh দিয়ে নয়। যেমন: abhawa = আবহাওয়া
কেবল ph দিয়ে লেখা যাবে, f দিয়ে নয়। কেননা f মডিফায়ার key.

ধাপ ৩.৩: শ লেখা

যদিও মহাপ্রাণ বর্ণ নয়, তবুও sh দিয়ে লেখা যাবে।

flowchart LR
a(sh) --> b(শ)

ধাপ ৪: মডিফায়ার

ক্ষিপ্র-তে f key কে মডিফায়ার হিসেবে রাখা হয়েছে। কিছু কিছু বর্ণের পরে f লিখে সেগুলোকে মডিফাই করা যাবে।
মডিফায়ার ক্ষিপ্র-র একটি শক্তিশালী ফিচার। সামনে মডিফায়ারের অনেক গুলো উপযোগীতা ও উপকারীতা দেখতে পাবো আমরা।

ধাপ ৩: (বাকি অংশ)

ধাপ ৩.৪: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ষ, ড়, ঢ়, ইত্যাদি বর্ণ লেখা

  • ত -এর পরে মডিফায়ার (f) ব্যবহার করে ট, ঠ;
  • দ -এর পরে f ব্যবহার করে ড, ঢ;
  • ন -এর পরে f দিয়ে ণ;
  • স -এর পরে f দিয়ে ষ;
  • এবং, র -এর পরে f দিয়ে ড়, ঢ় লেখা যাবে।

অর্থাৎ, একবার কিংবা দুইবার f ব্যবহার করে লেখা যাবে নিচের মতো:

flowchart TD
a(tf) --> b(ট)
c(tff) --> d(ঠ)
e(df) --> f(ড)
g(dff) --> h(ঢ)
flowchart TD
a(nf) --> b(ণ)
c(sf) --> d(ষ)
e(rf) --> f(ড়)
g(rff) --> h(ঢ়)

ধাপ ৩.৫: ক্ষ লেখা

ক্ষ যুক্তবর্ণ (ক্ষ = ক + ষ = k + sf) হলেও এটা লেখার দুটো শর্টকাট আছে: kf, ও kkh

flowchart TD
A(kf) --> B(ক্ষ)
c(kkh) --> B(ক্ষ)
e(ksf) --> B(ক্ষ)

ক্ষ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা আমাদের পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে করা হয়েছে। (ক্লিক করুন)

ধাপ ৩.৬: ঞ লেখা

লেখার জন্য প্রায় সর্বদাই n দিয়েই কাজ চলে যাবে। কেননা ঞ যুক্তবর্ণরূপে ছাড়া দেখা যায় না বললেই চলে। তবুও মুক্ত রূপে ঞ লেখার জন্য nff ম্যাপিং রয়েছে।

flowchart TD
a(nj) --> b(ঞ্জ)
e(nc) --> f(ঞ্চ)
c(nff) --> d(ঞ)

ধাপ ৩.৭: অনুস্বার লেখা

x দিয়ে লিখতে হবে। এটি ব্যতিক্রমী হলেও এতে বেশ কিছু শব্দ লিখতে সুবিধা হবে। যেমন:

flowchart TD
a(oxk) --> e(অংক)
b(ongk) --> f(অঙ্ক)
c(lixk) --> g(লিংক)
d(lingk) --> h(লিঙ্ক)
নোট
এতে এবং এর মধ্যে পার্থক্য করা সহজ হবে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন আমাদের পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে। পড়তে ক্লিক করুন।

ধাপ ৫: ক্ষিপ্র-র এক্সক্লুসিভ স্বরবর্ণগুলো লেখা

ক্ষিপ্র-তে বাড়তি কিছু বর্ণগুচ্ছকে স্বরবর্ণ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয় বা ট্রিট করা হয়। এটা ক্ষিপ্র-র আরেকটি শক্তিশালি ফিচার। এরকম চারটি বাড়তি স্বরবর্ণ তৈরি করা হয়েছে:

flowchart TD
a(ae) --> h(অ্যা)
b(wa) --> g(ওয়া)
c(we) --> f(ওয়ে)
d(wae) --> e(ওয়্যা)

কিছু উদাহরণ:

flowchart TD
a(raem) --> h(র‍্যাম)
b(aep) --> g(অ্যাপ)
c(khawa) --> f(খাওয়া)
d(dhwa) --> e(ধোয়া)
flowchart TD
a(wedar) --> g(ওয়েদার)
b(swetfar) --> f(সোয়েটার)
c(sophtfwaer) --> e(সফটওয়্যার)

ধাপ ৩: (আরও বাকি অংশ)

ধাপ ৩.৮: বিসর্গ লেখা

ধাপ ৩.৯: চন্দ্রবিন্দু লেখা

ধাপ ৬: পৃথায়ক

পৃথায়ক ক্ষিপ্র-র অন্যতম শক্তিশালী একটি ফিচার। পৃথায়ক ব্যবহার করে আপনার লেখাকে যেকোনো জায়গায় বিচ্ছিন্ন বা অংশায়িত করা যায়। এটার অসংখ্য ব্যবহার রয়েছে। সেমিকোলন ; -কে ক্ষিপ্রতে পৃথায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হলো:

flowchart TD
a(kuran) --> h(কুরান)
b(kur;an) --> g(কুরআন)
c(amii) --> f(আমী)
d(ami;i) --> e(আমিই)
flowchart TD
a(ijhar) --> h(ইঝার)
b(ij;har) --> g(ইজহার)
c(kongraetfs) --> f(কঙ্র্যাটস)
d(kon;graetfs) --> e(কনগ্র্যাটস)
নোট
সেমিকোলন ; যেহেতু পৃথায়ক, তাই কোথাও সেমিকোলন লিখতে পরপর দুবার সেমিকোলন চাপুন।

যেমন: sohoj;; = সহজ;

পৃথায়ক নিয়ে বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ আলোচনা আমাদের পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে করা হবে। পড়তে ক্লিক করুন।

ধাপ ৭: যুক্তবর্ণ লেখা কিংবা এড়িয়ে যাওয়া

  1. যুক্তবর্ণ গঠন সম্ভব এমন একাধিক বর্ণ একসাথে টাইপ করলে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়ে যাবে।
    যেমন:
flowchart TD
A(kt) --> B("ক্ত")
c(kr) --> d("ক্র")
  1. যুক্তবর্ণ এড়াতে বর্ণের মাঝে পৃথায়ক ব্যবহার করুন। ক্ষিপ্রতে সেমিকোলন ; হলো পৃথায়ক।
    যেমন:
flowchart TD
c(k;r) --> d("কর")
e(k;t) --> f("কত")
  1. পৃথায়কের পরিবর্তে o ব্যবহার করেও যুক্তবর্ণ এড়ানো যায়।
    যেমন:
flowchart LR

c(kor) --> d("কর")
e(kot) --> f("কত")
নোট
প্রশ্ন হতে পারে; যুক্তবর্ণ এড়ানোয় o থাকা সত্ত্বেও পৃথায়ক-এর ধারণা কেন আনা হয়েছে। এতে কিছু সুবিধা রয়েছে, যা পরবর্তী ধাপগুলোর আলোচনায় উঠে আসবে।

ধাপ ৭.২: স্ল্যাশ / -এর ব্যবহার (যুক্তবর্ণ সংক্রান্ত)

পূর্বে উল্লেখিত মডিফায়ারের মতো / key -কেও ক্ষিপ্রতে মডিফায়ার হিসেবে রাখা হয়েছে।

উচ্চারণ অনুসারে লিখতে গিয়ে চলে আসা অবাঞ্ছিত যুক্তবর্ণ দূরীকরণের জন্য স্ল্যাশ ব্যবহার করা যাবে।
যেমন:
বাকরুদ্ধ লেখার জন্য কেউ bakruddh লিখলে বাক্রুদ্ধ আসবে। এখানে ক্র চলে আসার পরে যদি / দিয়ে দেওয়া হয় তাহলে ব্যাকস্পেস না চেপেই সেটাকে ভেঙে ফেলা যাবে। bakr/uddh = বাকরুদ্ধ উদাহরণ:

flowchart TD
a(alp/ona) --> b(আলপনা)
e(lagb/e) --> f(লাগবে)
z(aelg/oridom) --> g(অ্যালগরিদম)
h(ajh/ari) --> i(আজহারি)

এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা আমাদের পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টেশনে করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাকিটা জানতে ক্লিক করুন।

নোট
বর্ণদ্বয়ের মাঝে পৃথায়ক ব্যবহার করেও এই কাজ করা যেত। কিন্তু এই ফিচারটা আনা হয়েছেই সেসব ক্ষেত্রের জন্য যখন কেউ উচ্চারণ অনুসারে লিখতে গিয়ে পৃথায়ক দিতে ভুলে যাবেন।
সেক্ষেত্রে তাঁকে ব্যাকস্পেস দিয়ে মুছে আবার লিখতে হবে না।

ধাপ ৮: স্বরবর্ণের বদলে কারচিহ্ন, কিংবা কারচিহ্নের বদলে স্বরবর্ণ ফোর্স করা

ক্ষিপ্র ইনস্টল করা

লিনাক্স, উইন্ডোজ, কিংবা অ্যান্ড্রয়েডে ক্ষিপ্র ইনস্টল করার নির্দেশনা দেখতে ক্ষিপ্র-র ইনস্টলেশন পেজ ভিসিট করুন।